আঁধার তন্দ্রায় বাজে প্রিয়াসি বীণার সুর
কান পেতে শুনতাম রাতভর, হতো ভোর
ভাবনার আলপনায় হতো তুমুল তোরজোর
তৃপ্তিতে নিতাম নি:শ্বাস, হতাম বিভোর।
শিউলির মালা গলে নীল শাড়ি পড়ে
নীলিমার নিলাঞ্জনী হয়ে হাটতে ধীরে ধীরে
নিশির বাতাসে উপরের শশী তোমার পিছে
ছায়া হয়ে যেন চলে আসত আমার নিড়ে।
গগনের তাঁরা বাদল ছেদ করে দিত উকি
তোমাকে দেখি যত ততো তৃপ্তি থাকে বাকী
শিতল বাতাসে মনের হুতাসের রুদ্ধ শ্বাস
বুক ভারি হতো যদিও পেতাম আশ্বাস ।
রূপের মোহানায় সোহানি রাতের শেষে
চাঁদের ছাঁয়ায় হেঁটে যেতাম হেসে হেসে
দুজন দুজনার হাতে হাত রেখে একসাথে
উল্লাসি সূর্য প্রভা আসতো মাথায় ভেঁসে
কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে চলে যেতাম ফাঁকা ঘরে
বিরহের বিষ তমা দেহে সপ্নের সমারোহে
সহসা অল্পক্ষণ পরে কানের লতি ধরে
আলতো জাগ্রত করেতে তুমি ধীরে ধীরে।
অপরুপ স্বপ্নের দীর্ঘ কপাটের শক্ত তালা
প্রণয়ের তুলনায় ছিল কঠোর, হলনা খুলো
হৃদয় গগনে দুলিল অসুর ছাঁয়া আবরণ
নিয়তির নির্মমতায় হলনা তোমায় বরণ।
কবিতাঃ- হলনা বরণ
চাঁদের ছাঁয়ায় হেঁটে যেতাম হেসে হেসে
দুজন দুজনার হাতে হাত রেখে একসাথে
উল্লাসি সূর্য প্রভা আসতো মাথায় ভেঁসে
কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে চলে যেতাম ফাঁকা ঘরে
বিরহের বিষ তমা দেহে সপ্নের সমারোহে
সহসা অল্পক্ষণ পরে কানের লতি ধরে
আলতো জাগ্রত করেতে তুমি ধীরে ধীরে।
অপরুপ স্বপ্নের দীর্ঘ কপাটের শক্ত তালা
প্রণয়ের তুলনায় ছিল কঠোর, হলনা খুলো
হৃদয় গগনে দুলিল অসুর ছাঁয়া আবরণ
নিয়তির নির্মমতায় হলনা তোমায় বরণ।
কবিতাঃ- হলনা বরণ
লেখকঃ- সৈয়দ শাহনুর আহমদ
Post a Comment