ভালোবাসা কারে কয় - ঋতুপর্ণা দাস

রোজিনা আর তার  প্রেমিক রোহান দুজনেই  প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বেড়াতে যেত,কারণ দুজনেই ছিল  ভ্রমন পিয়াসী। এমনি করে কোনো একদিন তারা পাহাড়ী জায়গা ঘুরতে বেরিয়েছিল,এমন সময়  রোজিনা দেখতে পেল খুব সুন্দর একটা রেস্টুরেন্ট,দেশি বিদেশী সব  ধরনের খাবার রয়েছে,তা দেখে রোজিনার মনে খুব আনন্দ হলো,রোজিনা বলছে তার প্রেমিক রোহানকে__

"রোহান আজ দুপুরের লাঞ্চটা আমরা দুজন এখানেই  খাবো,তুমি রাজী আছো তো"?রোহান তখন তার মুখের দিকে চেয়ে বলল__"ঠিক আছে, তুমি যখন মুখ ফুটে কিছু চেয়েছে তবে তাই হবে;এই বলে পকেট থেকে সে যখন  নিজের পাস থেকে টাকা বার করল তখন তার দাম শুনে সে হতবিম্ব হয়ে গেল কারণ তার পাসে ওত টাকা নেই,রোজিনা তার পাশে দাঁড়িয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল---

"পরে না হলে বিরিয়ানি টা খাবো একসাথে মিলে,আজ না হয়  আমি তোমাকে শাকসবজি ভাত রান্না করে দেব,চলো দেরী হয়ে যাচ্ছে।"

ভালোবাসা কারে কয়

এইবলে রোজিনা ও তার প্রেমিক  বাসার দিকে রওনা দিল। বাসায় গিয়ে সে নানা রকম শাকসবজি দিয়ে ভাতে ভাত রান্না করলো।তারপর দুজনে মিলে খেতে বসেছে,এমন সময়  রোজিনা বলছে তার প্রেমিককে___

"দেখ রোহান আজ কী সুন্দর গন্ধ বেরিয়েছে শাকসবজি রান্না করা ভাতটাতে,খুব মিষ্টি গন্ধ,"

রোহান বললো___"কোথায় গন্ধ দেখলে,ভাতে আবার কি সুগন্ধ হয়।'

রোজিনা বলল--"হয় না জানি,তবে আজ কিন্তুু  শাকসবজি ভাত থেকে ভালো সুগন্ধ বেরিয়েছে,কারণ এই ভাতটার সাথে তোমার আদর মাখানো হাতের স্পর্শ যে রয়েছে তাই এতে আজ এতো সুন্দর গন্ধ বেরিয়েছে যে তোমার আদরের কাছে বিরিয়ানিও হার মেনে যাবো।

এই কথা শোনার পর রোহান আনন্দে রোজিনাকে বুকে জড়িয়ে একটাই কথা বলল ___"ভাগ‍্যিস তোমার মতো একটা সুন্দর  গোলাপকে ঈশ্বর আমার জীবনে পাঠিয়েছিলো  নাহলে জানতে পারতাম না তো এর সৌন্দর্য এতো মধুর এতো আনন্দের।"


1 Comments

Post a Comment

Previous Post Next Post