কোথায় যেন একটা পড়েছিলাম যে_স্ত্রীয়ের লাশের ওপর অধিকার থাকে,কিন্তুু প্রেমিকার লাশের ওপর অধিকার থাকে না। জানো তো ভাবতেই পারিনি যে আমার জীবনে অক্ষরে অক্ষরে সেটা মিলিয়ে যাবে। এই যে চিঠিটা লিখছি,জানি না এটা তোর কাছে পোঁছাবে কিনা,তবুও লিখছি।
জানি তুমি খুব রাগ করেছো,অভিমান করেছো কিন্তুু বিশ্বাস করো আমার আর কিছুই করার ছিল না।তোমার সাথে যোগাযোগের সমস্ত রাস্তাই বাড়ির লোক বন্ধ করে দিয়েছি।সারা বাড়িতে কত আলো,কত লোকজন,,এই তো গায়ে হলুদ হয়ে গেল।
" এই সোমা....কী রে হলো তোর? আয় মা;সবাই তোর জন্য অপেক্ষা করছে যে।
আমাকে বধূবেশে সাজিয়ে সবাই এখন নীচে তোড়জোড়ে ব্যস্ত,কিন্তুু আমি তো তোমাকে ছাড়া অসম্পূর্ণ.....যেদিন তোমার বুকে মাথা রেখে আমার ঠোঁটে দুটো তোমার ঠোঁটে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম, সেইদিন থেকেই আমি তোমার। তাই মায়ের ওই সিঁদুর কৌটেটার থেকে তোমার নামে আজ সিঁদুর পরেছি,আফশোস শুধু একটাই, এই বধূবেশে তুমি আমাকে বিয়ের মণ্ডপে নয়,কোনো এক মর্গে দেখবে। চোখের জলটা সামলে নিও,পরজন্মে তোমারই হবো,অপেক্ষা করবে তো তুমি? এই জন্মের লাশের ওপরও থাকলো শুধু তোমার অধিকার প্রিয়.....।
মেঘপিওনের পক্ষে থেকে আকাশ সমান ভালোবাসা ও শুভকামনা লেখিকার জন্যে।
মেঘপিওন - মননশীল সাহিত্যের দর্পন।

Post a Comment