শিরিনের দিকে তাকাতে তার ভয় হচ্ছে। তিনি অরিনের চিঠি পড়ে কাঁদবেন না বলেও তিনি কাঁদলেন। সেই কান্না শব্দহীন। শিরিন তখন তার আপুর কবরের দিকে এক মনে তাকিয়ে আছে। নার্গিস নাহার হাত বাড়িয়ে শিরিনকে জড়িয়ে নিলেন। অনেকটা সময় কথা বলতে পারলেন না। নীরবতা ভাঙল শিরিন। শিরিন ডাকল ‚‘ মা। ’
নার্গিস নাহার সাড়া দিলেন ‚‘ হুম। ’‘ আমি বলেছিলাম না, তুমি আপুর চিঠি পড়ে কাঁদবে, দেখেছ তুমি কী পরিমাণ কাঁদছ?’
নার্গিস নাহার ভেজা গলায় বললেন ‘ কী পরিমাণ কেঁদেছি আমি? ’
‘ তুমি সাইত্রিশ ফোঁটা চোখের জলের পরিমাণ কেঁদেছ। তুমি জানো, এত বেশি কান্না সচারাচর কেউ কাঁদ পারে না মা। ’
নার্গিস নাহার প্রবল বিস্ময় চোখে তাকালেন। তারপর তাকিয়ে রইলেন দীর্ঘ সময়। শিরিন চোখ বন্ধ করে দুহাতে মাকে জড়িয়ে আছে। তার ঘুম পাচ্ছে। মায়ের শরীরের অদ্ভুত ঘ্রাণে তার ঘুম পাচ্ছে। সে চোখ মেলে তাকাতে পারছে না। শিরিন সত্যি সত্যি ওভাবে ঘুমিয়ে পড়ল।
বই: দীর্ঘশ্বাস
লেখক: হৃদয় খান
ধরন: উপন্যাস
প্রকাশনী: আলোর ঠিকানা
মুদ্রিত মূল্য: ২৬০৳ (৩০% ছাড়ে ১৮২ ৳)
আলোর ঠিকানা প্রকাশনীর ব্যানারে আসছে লেখক হৃদয় খান এর উপন্যাস 'দীর্ঘশ্বাস'
বুকমার্কে অর্ডার করলেই পাচ্ছেন ৩০% ছাড়।
বুকমার্ক - Bookmark
অর্ডার করতে কল করুন- 01775619592

Post a Comment