কখনো খাতা বা বইয়ের পাতায় প্রিয়জনের নাম লিখেছো? মাটিতে কাঠি দিয়ে দাগ কেটে যোগ চিহ্ন দিয়ে তোমার নামের পাশে প্রিয়জনের নামটি বা নামের প্রথম অক্ষর বসিয়েছিলে?
আবার কেউ দেখে ফেলার আগেই নামটি মুছে ফেলেছো, তাইনা? চাওনা অন্য কেউ দেখুক। খুব যতনে, খুব গোপনে হৃদয়ে লিখে রেখেছো নামটা।রাস্তায় চলার পথে কখনো থমকে দাঁড়িয়েছো? সাইনবোর্ড বা দেয়ালে অন্য কোনো লেখার সাথে তোমার প্রিয় মানুষটার নামও আছে। প্রিয় মানুষটার নাম আছে এমন গল্প কবিতা হাজারবার করে পড়তে চাও। একটি মূহূর্তের জন্যও যেন ভুলতে চাও না তাকে। গানের সাথেও সুর করে গাইতে চাও তার নাম।
মা এসে কয়েকবার ডাকার পরও খেতে যাওনি তুমি। হয়তো একবার রেগে গিয়ে বলে ফেলেছো, "বললাম না ক্ষিধে নেই!"
তাকে খুব মনে পড়ছে, তাই না? সে ফিরে আসবে না জেনেও তোমার মনে অন্য কারো ছবি আঁকতে চাও না। সে আর তোমাকে ভালোবাসবে না জেনেও তুমি চোখের জলে লিখছ ভালোবাসার ছন্দ, কবিতা। মাথার নিচে হাত রেখে শুয়েছিলে। চোখের প্রতিটা ফোটা নামছে গালবেয়ে হাতের উপর দিয়ে বালিশে। বালিশ শুষে নেবার পরও চোখের লোনা জলের ছাপ রয়ে যাচ্ছে। সে হারিয়ে গেছে কিন্তু স্মৃতিগুলোর ছাপ রয়ে গেছে হৃদয়ে।
বিরহের গান শুনতে পারো না তুমি, বড্ড কান্না পায়। আবার একাকী রাতে হেডফোন লাগিয়ে খুব করে কাঁদতে চাও তুমি। তুমি তাকে কতটা ভালোবাসো চোখের জলই তার প্রমান। যেদিন আর এই দুই চোখে তাকে ভেবে অশ্রু নির্গত হবে না সেদিন ভেবে নিও তাকে আর ভালোবাসোনা। কি ভাবছো? ভুলতে পারবে? বাকি জীবনটা চেষ্টা করে দেখো।
বিয়ের পিড়িতে বসেও ভাবছ ফিল্মের স্টাইলে তোমার প্রিয়জন তোমার বিয়ে ঠেকাতে আসবে। হাতজোর করে সবাইকে বলবে সে তোমাকে ভালোবাসে।
কিন্তু সে আসেনি। এটা স্বচ্ছ আয়নায় দেখেছো তুমি। আয়না কেন বললাম? চোখ ভর্তি পানি থাকলে কোথাও তাকিয়ে দেখিও আয়নার মতো স্বচ্ছ মনে হবে চোখ দুটো।
স্বামী গভীর রাতে কাছে টানে। তোমার মন চায় না তার বুকে মাথা রাখতে। তখন তুমি কাঁদতেও পারো না। মুখে মিথ্যে মুচকি হাসি রেখে স্বামীর বুকে মাথা রেখেও ভাবো, প্রিয় মানুষটার বুকে নীড় বাঁধা হলো না। তুমি জানো স্বামীর সংসারে থেকে পুরোনো প্রেমিককে ভাবা অন্যায়। তুমি ভাবতে চাও না। কিন্তু একাকীত্ব মনের রোগের উৎস। কতকিছু নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে চাও তুমি। কিন্তু একা হলেই সেই আয়না, সেই মানুষটি ভাসে।
কী ভাবছ এসব? মুছো চোখের পানি। আর কত? সে তো ফিরে আসেনি। যাকে ভেবে সময় নষ্ট করছ। যাকে ভেবে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে দিচ্ছ। সে মানুষটি তার বুকে অন্য কাউকে ঠাঁই দিয়েছে।
তুমি চেষ্টা করেও ব্যার্থ? তুমি তো চেষ্টাই করোনি। তুমি-ই তো তার স্মৃতি সযতনে রেখে দিয়েছো। একা হলেই স্মৃতির পাতা উল্টিয়ে দেখো।
তাকে যে তোমার ভুলতেই হবে। নয়তো চারিপাশটা তোমার কখনোই স্বাভাবিক থাকবে না। একজনের জন্য তুমি বাকিদের ভালো রাখতে পারবে না।
"ছুঁড়ে ফেলো ডাস্টবিনে সেই সস্তা পঁচা অনুভূতিটাকে, ছুঁড়ে ফেলো তাকে, ভুলে যাও তাকে যে ভুলে আছে তোমাকে।"
লেখনীর শেষ প্রান্তে - ওমর ফারুক শ্রাবণ
কিন্তু সে আসেনি। এটা স্বচ্ছ আয়নায় দেখেছো তুমি। আয়না কেন বললাম? চোখ ভর্তি পানি থাকলে কোথাও তাকিয়ে দেখিও আয়নার মতো স্বচ্ছ মনে হবে চোখ দুটো।
স্বামী গভীর রাতে কাছে টানে। তোমার মন চায় না তার বুকে মাথা রাখতে। তখন তুমি কাঁদতেও পারো না। মুখে মিথ্যে মুচকি হাসি রেখে স্বামীর বুকে মাথা রেখেও ভাবো, প্রিয় মানুষটার বুকে নীড় বাঁধা হলো না। তুমি জানো স্বামীর সংসারে থেকে পুরোনো প্রেমিককে ভাবা অন্যায়। তুমি ভাবতে চাও না। কিন্তু একাকীত্ব মনের রোগের উৎস। কতকিছু নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে চাও তুমি। কিন্তু একা হলেই সেই আয়না, সেই মানুষটি ভাসে।
কী ভাবছ এসব? মুছো চোখের পানি। আর কত? সে তো ফিরে আসেনি। যাকে ভেবে সময় নষ্ট করছ। যাকে ভেবে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে দিচ্ছ। সে মানুষটি তার বুকে অন্য কাউকে ঠাঁই দিয়েছে।
তুমি চেষ্টা করেও ব্যার্থ? তুমি তো চেষ্টাই করোনি। তুমি-ই তো তার স্মৃতি সযতনে রেখে দিয়েছো। একা হলেই স্মৃতির পাতা উল্টিয়ে দেখো।
তাকে যে তোমার ভুলতেই হবে। নয়তো চারিপাশটা তোমার কখনোই স্বাভাবিক থাকবে না। একজনের জন্য তুমি বাকিদের ভালো রাখতে পারবে না।
"ছুঁড়ে ফেলো ডাস্টবিনে সেই সস্তা পঁচা অনুভূতিটাকে, ছুঁড়ে ফেলো তাকে, ভুলে যাও তাকে যে ভুলে আছে তোমাকে।"
লেখনীর শেষ প্রান্তে - ওমর ফারুক শ্রাবণ
মেঘপিওনের সাথে থাকার জন্যে ধন্যবাদ।
মায়েদের আত্ম ত্যাগ সম্পর্কে পড়তে ভিজিট করুন এই লিংকে ↓↓

ahh
ReplyDeletePost a Comment